হিরো আলমকে দেওয়া কথা রাখেননি প্রভা

আবারো আলোচনায় হিরো আলম। টেলিফিল্মে অভিনয়, নিজের চলচ্চিত্রে নিজেই নায়ক হওয়া ইত্যাদি কারণে তিনি সবসময়ই চর্চায় থাকেন। তবে এবার তিনি সবাইকে আরেকবার অবাক করে দিয়ে ‘গায়ক’ হিসেবে হাজির হয়েছেন।সম্প্রতি হিরো আলম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন তার

‘সাহসী হিরো আলম’ সিনেমায় অভিনয়ের পাকা কথা দিয়েছিলেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা ও তাসনুবা তিশা। যদিও দু’জনের কেউই কথা রাখেননি।এ প্রস’ঙ্গে হিরো আলম বলেন, ‘প্রভা ও তিশাকে আমাদের সিনেমার জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছিল। আমি সেভাবে

প্রস্তুতিও নিয়েছিলাম। কিন্তু শেষ মুহূর্তে এসে দু’জনই ‘করবেন না’ বলে জানিয়েছেন।’জানতে চাওয়া হয়, আপনি নিজে তাদের স’ঙ্গে কথা বলেছিলেন কি? এমন প্রশ্নের উত্তরে হিরো আলম বলেন, ‘আমি সরাসরি কথা বলিনি। অন্য একজন শিল্পীর মাধ্যমে অফার করেছিলাম। তারা

প্রথমে কাজ করবেন বলে কথা দিয়েছিলেন। বলেছিলেন শিডিউল পিছিয়ে দিলে কাজটি করবেন। কিন্তু ততদিনে আমি কাজ শুরু করে দিয়েছিলাম। ফলে শিডিউল পেছানো সম্ভব হয়নি।’এ প্রস’ঙ্গে সিনেমাটির পরিচালক মুকুল নেত্রবা’দী জানান, প্রভা এবং তিশার স’ঙ্গে মৌখিক

চুক্তি হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে তারা অনাগ্রহী হওয়ায় কাগজপত্র করা হয়নি। পরে দু’জনের জায়গায় রাবিনা বৃষ্টি ও নুসরাতকে নেয়া হয়।উল্লেখ্য হিরো আলমের সিনেমাটি প্রথমে শুরু করেছিলেন দেলোয়ার জাহান ঝন্টু। তিনি একদিন শুটিংও করেছিলেন। কিন্তু হিরো আলমের স’ঙ্গে

বনিবনা না হওয়ায় তিনি সিনেমাটি ছেড়ে দেন। তার স্থলাভিষিক্ত হন মুকুল নেত্রবা’দী।‘সাহসী হিরো আলম’ মুক্তির পর প্রশংসা অর্জনে ব্যর্থ হয়। এরপর থেকেই নতুন করে সমালোচনা শুরু হয় হিরো আলমকে নিয়ে।বলেছিলেন কি? এমন প্রশ্নের উত্তরে হিরো আলম বলেন, ‘আমি

সরাসরি কথা বলিনি। অন্য একজন শিল্পীর মাধ্যমে অফার করেছিলাম। তারা প্রথমে কাজ করবেন বলে কথা দিয়েছিলেন। বলেছিলেন শিডিউল পিছিয়ে দিলে কাজটি করবেন। কিন্তু ততদিনে আমি কাজ শুরু করে দিয়েছিলাম। ফলে শিডিউল পেছানো সম্ভব হয়নি।’এ প্রস’ঙ্গে সিনেমাটির

পরিচালক মুকুল নেত্রবা’দী জানান, প্রভা এবং তিশার স’ঙ্গে মৌখিক চুক্তি হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে তারা অনাগ্রহী হওয়ায় কাগজপত্র করা হয়নি। পরে দু’জনের জায়গায় রাবিনা বৃষ্টি ও নুসরাতকে নেয়া হয়।উল্লেখ্য হিরো আলমের সিনেমাটি প্রথমে শুরু করেছিলেন দেলোয়ার জাহান

ঝন্টু। তিনি একদিন শুটিংও করেছিলেন। কিন্তু হিরো আলমের স’ঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় তিনি সিনেমাটি ছেড়ে দেন। তার স্থলাভিষিক্ত হন মুকুল নেত্রবা’দী।‘সাহসী হিরো আলম’ মুক্তির পর প্রশংসা অর্জনে ব্যর্থ হয়। এরপর থেকেই নতুন করে সমালোচনা শুরু হয় হিরো আলমকে নিয়ে।