বাবার বাড়ি যেতে চাইলো স্ত্রী, স্বামী ঠেলে দিল না ফেরার দেশে!
বাবার বাড়ি যেতে চাইলো স্ত্রী, স্বামী ঠেলে দিল না ফেরার দেশে!

বাবার বাড়ি যেতে চাইলো স্ত্রী, স্বামী ঠেলে দিল না ফেরার দেশে!

তুচ্ছ ঘটনায় ‘নি”Tর্যা’ত’ন চালিয়ে গৃহবধূ শ্যামলীকে ‘হ’T’ত্যা’র’ অ’ভিযো’গ পাওয়া গেছে স্বামীর বি’রু’দ্ধে। ‘মা’Tরা’র পর লা’শ সিলিং ফ্যানের স’ঙ্গে ওড়না পেঁ’চিয়ে ঝু’লিয়ে রাখেন গৃহবধূর স্বামী মানিক মিয়া। এমনটি অ’ভিযো’গ শ্যমলীর স্বজনদের। শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মির্জানগর ইউনিয়নের হোগলাকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ মানিক মিয়াকে আ’ট’ক করে।

পারিবারিক সূত্র জানা যায়, দুই বছর পূর্বে মির্জানগরের হোগলাকান্দির মৃ’ত হাবিবুর রহমানের কুয়েত প্রবাসী ছেলে মানিক মিয়ার সঙ্গে আদিয়াবাদের শেরপুর-কান্দাপাড়া এলাকার জসিম মিয়ার মেয়ে শ্যামলীর বিয়ে হয়। ছয়মাস পূর্বে মানিক প্রবাস ছেড়ে দেশে চলে আসেন। এরপর দীর্ঘদিন ধরে বাবার বাড়ি যেতে না দেওয়ায় স্বামীর সঙ্গে শ্যামলীর ঝগড়া হয়। এরই জেরে ধরে শ্যামলীকে ‘হ”Tত্যা’র পর সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখেন মানিক।

শনিবার সকালে ‘মৃ’ত্যু’র সংবাদ শুনতে পায় শ্যামলীর স্বজনরা। পরে সেখানে গিয়ে মানিককে আ’ট’কে’র পর পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এ ঘটনায় নি’হ’ত শ্যামলীর পরিবারে পক্ষ থেকে থানায় মা’ম’লা’র প্রস্তুতি চলছে জানান পরিবারের সদস্যরা।

আট’ক মানিকের দাবি, সকালে বাড়ি ফিরে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝু’ল’ন্ত অবস্থায় স্ত্রীকে দেখতে পান তিনি। পরে ভাবীদের সহযোগিতায় তাকে সেখান থেকে উ’দ্ধা’র করেন। ওই সময় শ্যামলী বেঁচে ছিল। এর কয়েক মিনিটের মাথায় তার ‘মৃ’ত হয়। তুচ্ছ ঘটনার জেরেই স্ত্রীর আ’-ত্মহT-ত্যা করেছে বলে দা’বি তার।

শ্যামলীর মা রাবেয়া বেগমের দাবি, ‘হ’ত্যা’র পর মেয়েকে সিলিং ফ্যানে ঝুলিয়ে রাখা হয়। এর আগে শ্যামলীর ওপর নি’Tর্যা’Tত’ন চালিয়েছে মানিক। দেহে একাধিক আ’ঘা’তে’র চিহ্ন রয়েছে তিনি দা’বি করেন। রায়পুরা থানার এসআই দেব দুলাল দে জানান, নি’হ’ত লা’শ ময়’নাত’দ’ন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালে ম’র্গে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে দে’হে কোনো আ’ঘা’তের চিহ্ন নেই বলে জানান তিনি। এ ঘটনায় তার স্বামীকে আ’ট’ক করা হয়েছে।